বাংলা-ইংরেজি অনুবাদ
লেখা হোক বা এক্সেল/সিএসভি ফাইল — কোনো কাগজ বা ফাইল না পড়ে, সব আপনার নিজের ব্রাউজারেই অনুবাদ হয়ে নতুন ফাইল হিসেবে নামবে।
লেখা সার্ভারে যায় না
আপনার লেখাটি সরকারি অনুবাদে পাঠানোর আগে আমাদের সার্ভারে জমা হয় না — ফাইলটাও না। অনুবাদ করতে গুগলের উন্মুক্ত সেবাটি ব্যবহৃত হয়, সেই অর্থে লেখাটি আপনার ব্রাউজার থেকে গুগলে যায়, আমরা রাখি না। তাই নাম, ঠিকানা বা চিঠির কোনো অনুচ্ছেদ নিয়েও নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন।
লেখাটি বসান
অনেক বড় লেখা (৫ হাজার+ অক্ষর) টুকরো করে অনুবাদ হয়, তাতে একটু সময় লাগে। অফিসিয়াল চিঠির বাড়তি নিরাপত্তায় অনুবাদটা মেশিন-করা — জমা দেওয়ার আগে একবার পড়ে নিন।
ফলাফল
টীকা: মেশিন অনুবাদ হুবহু না-ও মিলতে পারে — নাম আর ঠিকানা অনুবাদ হলে নয়, নিজে দেখে নিয়ে লিখুন। কোনো ভুল দেখলে ওই অংশটুকু হাতে বদলে নিন।
যন্ত্রটি কী করে, কী করে না
লেখা হোক বা এক্সেল/সিএসভি ফাইলের ঘর — প্রতিটি পাঠ গুগলের উন্মুক্ত অনুবাদে পাঠিয়ে বাংলা বা ইংরেজি করা হয়, আপনার ব্রাউজারেই। ফাইলের অন্য সব কিছু (নম্বর, তারিখ, সাজানো) আগের মতোই থাকে — শুধু অনুবাদ করা ঘরগুলো বদলায়।
যা হয় না: এটি মানুষের অনুবাদক নয়। নাম, সাংকেতিক শব্দ, দলিলের নম্বর বা ছোট বাক্যের হুবহু অনুবাদ নাও মিলতে পারে — অনেক সময় সেগুলো না অনুবাদ করাই ভালো। ফাইলের আদি (ইংরেজি) রূপটিও জমা রাখুন; ভুল হলে ওটা থেকেই আবার কাজ করা যায়।
গোপনীয়তা: লেখা আমাদের সার্ভারে জমা হয় না, তবে অনুবাদ সেবাকারী কোম্পানির (গুগল) কাছে পাঠানো হয় — ইন্টারনেটে পাঠানোর অর্থেই তা অনিবার্য। তাই যা ভুয়ো না-হোক, দুষ্প্রাপ্য নয় এমন লেখাই অনুবাদে দিন।